Video Description: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষক মোহাম্মদ রুহুল আমিন খন্দকারকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে আদালত অবমামনার দায়ে৻
ঐ শিক্ষকের অপরাধ, তাঁর ফেসবুক স্টাটাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যু কামনার অভিযোগের কারণ দর্শনোর জন্য তাঁকে আদালতে ডাকা হলেও তিনি হাজিরা দেননি৻
মিঃ খন্দকার বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াতে পিএইচডি করছেন৻
অভিযোগ করা হয়, গত আগস্ট মাসে এক সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের মুত্যুর পর এই শিক্ষক তাঁর ফেসবুকে মন্তব্য করেছিলেন - `সবাই মরছে, হাসিনা কেন নয়?‘
একটি পত্রিকায় মিঃ খন্দকারের ফেসবুকের এই লেখা উদ্ধৃত করে রিপোর্ট ছাপা হলে অ্যাটর্নি জেনারেল তা হাইকোর্টের নজরে আনেন৻
তারই পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি রুল জারি করে৻ কেন তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা হবেনা তা সশরীরে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট৻
অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আদালতের নোটিস মিঃ খন্দকারের কাছে পৌঁছুলেও তিনি তা অবজ্ঞা করেন৻
দন্ডপ্রাপ্ত শিক্ষককে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আলতাফ হোসেন জানিয়েছেন, ঐ শিক্ষককে দেশে ফিরিয়ে আনতে বা গ্রেফতারের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আদালত পুলিশ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে নির্দেশ দিয়েছে।
এছাড়াও এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিতে আদালত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।
ডেপুটি আ্যটর্নি জেনারেল বলেছেন, “ফেসবুক নতুন কনসেপ্ট। পেনাল কোড বা দেওয়ানী আইন অনেক পুরোনো হওয়ায় সমস্যা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট আইন না থাকার কারণেই আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এখন আদালতই বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত দেবে।“
মুল অভিযোগের শুনানী আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) হওয়ার কথা রয়েছে।
ফেসবুকে লেখার সুত্রে কারাদন্ডের কোন ঘটনা বাংলাদেশে এই প্রথম৻
www.bbc.co.uk/bengali/news/2012/01/120104_safacebook.shtml